উদ্যোগটা নিয়েছিলেন সালমান আলম। বিজ্ঞানপ্রিয় এই শিক্ষার্থী ইউটিউবের মাধ্যমে বিমলাইন ফর স্কুলের খোঁজ পান। এর পর থেকেই সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক গ্রুপে দল খুঁজতে শুরু করেন। কিন্তু কেউ তাঁকে দলে নেয়নি। পরে নিজেই দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেন সালমান। প্রাথমিকভাবে কলেজের দুই বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেন ‘পোলারিস’। সালমান বলেন, ‘পোলারিস বা ধ্রুবতারা নাবিকদের পথ দেখায়। আমরা প্রতিযোগিতায় কাজ করেছি পলিসিলোক্সেন নিয়ে। দুটির নামের মধ্যে কিছুটা মিল আছে। আবার আমাদের মোটিভেশনের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এই নাম দিয়েছি।’
দল গঠনের পর তিন বন্ধু যান তাঁদের প্রাইভেট টিউটর নিশাদের কাছে। নিশাদ তাঁদের পদার্থবিজ্ঞান পড়াতেন। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই শিক্ষার্থী তাঁর ছাত্রদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। পরে সেই ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে দলে যুক্ত হন তাসনিম ও তিতিম।
তিতিম বলেন, ‘ফেসবুক গ্রুপে সালমানের সঙ্গে কথা হয়। পরে আমরা কাজ শুরু করি। আমি বেশ ইন্ট্রোভার্ট (অন্তর্মুখী)। তাই দলের সঙ্গে কাজ করার এই যাত্রা আমার জন্য একটু বিশেষ ছিল।’