তবে ইরান ভেতর থেকে ভেঙেও পড়েনি, কৌশলগতভাবে পিছুও হটেনি। ক্ষেপণাস্ত্র, আঞ্চলিক জোট, প্রক্সি নেটওয়ার্ক আর হরমুজ প্রণালির কৌশলগত সুবিধা ব্যবহার করে তেহরানের পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা যেমন আছে, তেমনি যেকোনো বড় ধাক্কা সামলানোর শক্তি তাদের রয়েছে। তবু দীর্ঘ সংঘাত ও নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ ইরানিদের দুর্ভোগের বাস্তবতাও এতে আড়াল হয় না।
ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সংঘাত হ্রাস করার জন্য চীন ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মতো মধ্যস্থতাকারীদের ব্যবহার করে পর্দার আড়াল থেকে চাপ সৃষ্টির পথ খুঁজবে। মুখ রক্ষার জন্য ট্রাম্পের এখন কৌশল হবে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে দাবি করে সামরিক বিজয় ঘোষণা করা। এতে এই যুদ্ধের সমাপ্তিকে পিছু হটার পরিবর্তে পরিকল্পিত সাফল্য হিসেবে দেখানো যাবে।
ট্রাম্প সম্ভবত এমন চেনা রাজনৈতিক কৌশল বেছে নেবেন। একদিকে সাফল্য ঘোষণা করবেন, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে দর-কষাকষি চালিয়ে যাবেন। যদিও সমালোচকেরা একে পিছু হটা হিসেবে ব্যাখ্যা করবেন, তবু ট্রাম্প প্রশাসন এই ফলাফলকে ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করবে।