সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘গতকাল আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম হচ্ছে সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে এটা প্রকাশ করেছেন, যারা—তাঁর ভাষায়—নারীদের উপযুক্ত অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারেনি, তারা বিরোধী দলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারায় বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দিইনি। তখনই বোঝা যায়, যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা এসেছে, সেটাকে উনি নিজেই স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।’

জামায়াতের এই নেতা বলেন, কী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারা বা প্রধান দল হিসেবে মেজরিটি পেতে বাধা দেওয়া হয়েছে, সেটি তাঁরা জানতে চান। তিনি আরও বলেন, ‘এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল? পুরো গভর্নমেন্ট ছিল, নাকি গভর্নমেন্টের একটি অংশ ছিল, যারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে এবং তাদের ডিজাইন অনুসারে সেখানে ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ইত্যাদি নিয়োগ করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকদের নিয়োগ করে তারা সেই তাদেরই কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা, সেই সংখ্যায় একটি দলকে জেতানোর জন্য তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। জাতির কাছে এটা স্পষ্ট করতে হবে।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews