অনেকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতিও ঘটছে। অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে যেসব নেতা বক্তব্য দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে একটি অংশ নিজেদের কিছু ভুলভ্রান্তির কথা মৃদুস্বরে বললেও কাঠামোগতভাবে তাঁদের পরিবর্তন তেমন চোখে পড়ার মতো নয়।
তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশের কাছে আওয়ামী লীগের যে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল, সেই ভাবমূর্তিকে ইতিবাচক করার জন্য দলটির কোনো কার্যক্রম ও কথাবার্তায় লক্ষণীয় ছিল না।
পতনের পর দলটির ভেতর থেকে তরুণদের আকৃষ্ট করার মতো নেতৃত্ব ঠিক কতটা তারা তৈরি করতে পেরেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক পাটাতন তৈরির বয়ান তরুণেরা কতটা গ্রহণ করছেন, সেটাও উপলব্ধির বিষয় হতে পারে।
পঁচাত্তর–পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের ভেতর দলাদলি কিংবা সংগঠনটিতে ফাটল ধরলেও এবার এই সংকটে তেমনটা আমরা দেখতে পাইনি।
‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হলেও দলটির নেতা-কর্মীরা সেখানে তেমনটা সাড়া দিয়েছে বলে মনে হয় না। বরং তাঁরা শেখ হাসিনাকে ঘিরে সামনে এগোতে চান। এটি অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে।