রোজারিও শহরের উত্তরে পেরদ্রিয়েল স্ট্রিট। খুবই সাধারণ এই রাস্তাটাই ছিল আনহেল দি মারিয়ার প্রথম খেলার মাঠ! ইটের টুকরা দিয়ে বানানো হতো গোলপোস্ট। সূর্য ডুবলেই খেলা শেষ। সেই রাস্তা দিয়েই ১৭ বছর পর ঘরের ছেলের ফেরার উৎসবটা হয়েছিল দেখার মতো। ব্যাগভর্তি স্বপ্ন নিয়ে যে কিশোর বেরিয়েছিল, সে ফিরেছে বিশ্বজয়ী তারকা হয়ে। ঝুলিতে বিশ্ব ফুটবলের প্রায় সব বড় ট্রফি। কিন্তু রয়ে গেছে সেই শিকড়ের টান, সেই একই বিনয়, একই মূল্যবোধ। বাবার সেই কঠিন শর্ত আজও তাঁর কানে বাজে, ‘কয়েক মাস সময়, ফুটবলে কিছু করতে পারলে করো, না পারলে কয়লা তুলতে হবে আমার সঙ্গে।’ ‘কিছু করেই’ রোজারিওতে ফিরেছেন আনহেল দি মারিয়া। আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জেতানো কোচ প্রয়াত সিজার লুইস মেনোত্তি তাঁকে রেখেছিলেন ম্যারাডোনা ও মেসির কাতারে। সেই ‘এল ফিদেও’ সম্প্রতি স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক এএসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন রোজারিওর নিজের বাড়িতে বসে। সেই সাক্ষাৎকারটির বাংলায় ভাষান্তর প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য—