বড় বড় ঘোষণার ওপর নয়; বরং ওয়াশিংটন কতটা বাস্তব কৌশলগত স্বার্থ আর রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার পার্থক্য বুঝতে পারে, তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নির্ভর করছে।
যদি যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরায়েলের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার (নরমালাইজেশন) শর্তের সঙ্গে বেঁধে দেয়, তাহলে তারা দুটি ভিন্ন নীতিগত লক্ষ্যকে একসঙ্গে জোর করে মিলিয়ে ফেলবে।
প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়বে। কিন্তু বাস্তবে এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যেতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বহুমুখী শক্তির উত্থান আরও দ্রুত হতে পারে।
প্রশ্নটি আসলে এই নয় যে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে তা অঞ্চলের জন্য উপকারী হবে কি না। অনেক যুক্তি আছে যে ভবিষ্যতে এটি উপকারী হতে পারে। তবে আসল প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্র কি বাস্তবসম্মতভাবে আশা করতে পারে যে সৌদি আরব তাদের দীর্ঘদিনের অবস্থান ছেড়ে দেবে? সৌদি আরব দুই দশকের বেশি সময় ধরে বলে আসছে যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরি হওয়ার পরই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব।