কর্মশালায় বক্তারা বলেন, খাগড়াছড়িতে একসময় সবুজ প্রকৃতি, গাছপালা, ঝিরি-ঝরনা ও বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য ছিল। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের ফলে পাহাড়ে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ের মানুষ সুপেয় পানির খোঁজে চার-পাঁচ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয় বাসিন্দাদের।
পাহাড়ে পানির সংকট মোকাবিলায় পানি ধরে রাখার জন্য ঝরনা এলাকায় বট, পাকুড়জাতীয় গাছ রোপণের ওপর গুরুত্ব দেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও এ ধরনের গাছের বীজ থেকে সরাসরি চারা পাওয়া যায় না। পাখির ফেলে যাওয়া বীজ থেকে এসব গাছের চারা জন্মায়। সেসব চারা সংগ্রহ করে ঝরনা এলাকায় লাগানোর পরামর্শ দেন তাঁরা। পাশাপাশি জলায় সৃষ্টি করে তা ব্যবহার উপযোগী রাখার কথাও বলেন তাঁরা।