ওয়াশিংটন, ২১ জুলাই – ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল নতুন চ্যাম্পিয়ন পাওয়ার আসর হিসেবে নয় বরং অসংখ্য রেকর্ড ভাঙা এবং নতুন ইতিহাস গড়ার সাক্ষী হয়ে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এই আসরে ব্যালন ডি’অর জয়ী ও মনোনীত ফুটবলাররা এমন সব সাফল্য অর্জন করেছেন যা ফুটবলের ইতিহাসে দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৩৯ বছর বয়সেও একের পর এক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে খেলা প্রথম ফুটবলারদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা, সবচেয়ে বেশি সময় মাঠে থাকা এবং অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড এখন তার দখলে।
এছাড়া আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে মাত্র ২৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে বসেছেন। আসরে ১০ গোল করে তিনি টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জয় করেন।
একই সঙ্গে ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও এখন তার। উসমান দেম্বেলে নরওয়ের বিপক্ষে মাত্র ৩২ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিকের মালিক হয়েছেন। ক্রোয়েশিয়ার কিংবদন্তি লুকা মদরিচ ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে অ্যাসিস্ট করার নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। অন্যদিকে স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ব্যালন ডি’অর জয়ের এক বিরল রেকর্ড স্পর্শ করেছেন।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছেন। স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি সফল ড্রিবল করে নজর কেড়েছেন।
ফ্রান্সের মাইকেল অলিসে সাতটি অ্যাসিস্ট করে এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের পেলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ তাই ফুটবলারদের ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব এবং নতুন মানদণ্ড স্থাপনের এক অবিস্মরণীয় আসর হিসেবে গণ্য হবে।
এস এম/ ২১ জুলাই ২০২৬