যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ভূ-রাজনৈতিক চুক্তির পর বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে বিমানের জ্বালানির (জেট ফুয়েল) দাম। এর সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়তে যাচ্ছে এশিয়ার এভিয়েশন খাতে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানির দাম কমায় আগামী দিনগুলোতে সমগ্র এশিয়া জুড়ে বিমানের ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে পারে।
এভিয়েশন খাতের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভাড়া কমানোর প্রক্রিয়ায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে কম খরচের বাজেট এয়ারলাইন্সগুলো (Budget Carriers)। তবে এই পরিবর্তন রাতারাতি ঘটছে না। ইরান পরিস্থিতির ওপর পূর্ণ স্পষ্টতা এবং বিশ্ববাজারের স্থায়িত্ব পর্যবেক্ষণ করে এয়ারলাইন্সগুলো ধাপে ধাপে টিকিটের দাম কমাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সমঝোতা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি এনে দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বিমান পরিচালন ব্যয় বা অপারেটিং কস্ট কমে আসায় সাধারণ পর্যটক এবং প্রবাসী কর্মজীবী—উভয় পক্ষই টিকিটের মূল্যে বড় ধরণের ছাড় পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।