দেশে গ্যাস সঙ্কট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ‘অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটে কৃষিবিষয়ক একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘জ্বালানি সঙ্কটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। অবকাঠামো তৈরি করে সঙ্কট থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটা দিতে হবে। আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত ধ্যান ধারণার বাইরে গিয়ে কাজ করছে সরকার।’
তিনি বলেন, ‘গ্যাসের অভাবে সমস্ত মিল-ফ্যাক্টরি ভুগছে, এটা বাস্তব। কিন্তু এই বাস্তবতাটা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। অবকাঠামো তৈরি করেই এই অবস্থা থেকে বের হতে হবে।’
মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়ার ছোট জাহাজগুলো অন্যত্র ব্যস্ত। তারপরও সরকার চেষ্টা করছে আপৎকালীন সমস্যা সমাধান করে পরিস্থিতির কিছু উত্তরণ করা যায় কিনা।’
কর্মশালায় তিনি বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অনাবাদি ও এক ফসলি জমি রয়েছে। দেশের অন্য জায়গার তুলনায় এখানে তিন ফসলি জমির পরিমাণ অনেক কম।’
ভৌগোলিক কারণে সিলেট অঞ্চলে চাষাবাদের ক্ষেত্রে দু’টি প্রধান সমস্যার কথা উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত, সিলেট একটি নিচু ও হাওর অঞ্চল হওয়ায় বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এখানে পানি জমে থাকে। এই জলাবদ্ধ পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা করা গেলে সেখানে বড় আকারের আবাদ সম্ভব। দ্বিতীয়ত, শুকনো মৌসুমে সেচের পানির অভাবে অনেক জমিতে চাষ করা যায় না। যদি যথাযথ সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, তবে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি ও দুই ফসলি জমিকে সহজেই তিন ফসলিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’