সম্প্রতি (১৪ মে ২০২৬ রাতে) মিরপুর এর হযরত শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) এর মাজারে হামলা করা হয়। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর আমি যখন মাজারে পৌঁছাই, প্রাঙ্গণে তখন দেড়-দু'হাজার মানুষ। খাদেম, ভক্ত, পাগল, প্রতিবেশী, কৌতূহলী পথচারী, কয়েকজন সাংবাদিক, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর প্রমূখ। তার একটু আগে হামলার মুহূর্তেও তো এখানে অন্তত হাজারখানেক মানুষ ছিলেন। দেড়শ মুখোশধারী লাঠি-পাইপ নিয়ে ঢুকেছে, আর প্রতিরোধে দাঁড়িয়েছেন কেবল মাজারের ‘পাগলেরা’। সেই পাগল, ভদ্রসমাজ যাদের কথা বলতেই চায় না।
যদি ঢাকার বুকেই এমনভাবে হামলা করা যায়, তাহলে, প্রান্তিক অঞ্চলের মাজারগুলোর কী অবস্থা সেটাও আমাদের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে। এত মানুষ থাকার পরেও হামলা কীভাবে সম্ভব হলো? এর উত্তর হল, পূর্বের অভিজ্ঞতা।
বিচারহীনতা তো আছেই, পালটা আঘাতও যেন না আসে, সেটা যেন হামলাকারীরা জানতো! এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমল থেকে চলে আসা মাজার ভাঙার এক ধরনের ধারাবাহিকতা। মাজার ভাঙা এতোটাই স্বাভাবিক ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে যে, গুগলে ‘মাজার’ লিখে সার্চ করলে, যে কয়েকটা সাজেশন আসে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘মাজার ভাঙা’।