এদিকে হরমুজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলে সতর্ক করছে আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থা বিমকো। সংস্থাটির নিরাপত্তাপ্রধান জ্যাকব লারসেন বলেন, প্রণালির নির্ধারিত নৌপথে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এখনো পরিষ্কার নয়। ফলে জাহাজ চলাচল নিরাপদ হয়েছে, এ কথা আপাতত বলা যাচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ জানিয়েছেন, প্রণালি আবার চালুর ঘোষণা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপদ ও বাধাহীন চলাচল নিশ্চিত হয়েছে কি না।
তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে পড়েছে। পেট্রল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে, জেট জ্বালানির সরবরাহ নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। এতে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কেবল তেল, সার, গ্যাসসহ আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সার তৈরির উপাদান এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে খাদ্যপণ্যের দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
এর মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাজ্যের বাজারে এই প্রথম পেট্রল ও ডিজেলের দাম সামান্য কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দেশটির মোটরিং সংস্থা আরএসি জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে, যদিও ফেব্রুয়ারির তুলনায় তা এখনো অনেক বেশি।