ভালো খেলতে থাকা জোসে ম্যানুয়েল লোপেজ প্রতিপক্ষের বক্সের কাছাকাছি ফাউলের শিকার হন। এরপর ফ্রি–কিক থেকে জিওভানি লো সেলসো ছোট একটি পাস বাড়িয়ে দেন ফাকুন্দো মেদিনার কাছে। তিনি দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে ক্রস পাঠান, আর সেখানে হেডে বল নামান অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি।
পরিস্থিতি তখন বেশ এলোমেলো। গিওলিয়ানো সিমিওনে কিংবা লিসান্দ্রো মার্তিনেজের কেউই পরিষ্কারভাবে শট নিতে পারেননি। আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগ কোনোরকমে বল বিপদ–মুক্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু বল গিয়ে পড়ে বক্সের ঠিক বাইরে অপেক্ষায় থাকা ভ্যালেন্তিন বারকোর কাছে।
একমুহূর্তও দেরি না করে বারকো জোরালো শট নেন। বল সোজা জালের ডান দিকের নিচের কোণে গিয়ে জড়িয়ে যায়। গোলরক্ষক এলিয়াস রাফিন ওলাফসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করে হাত বাড়িয়েও বলের নাগাল পাননি। দুর্দান্ত সেই ফিনিশে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন বারকো।