লন্ডনের এসওএসএস বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সঞ্জয় শ্রীবাস্তব বলেন, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিপুলসংখ্যক মানুষের মধ্যে আদতে হয়তো তাঁর (মোদির) সমর্থকেরাও ছিলেন—এটি অতীতের অন্যান্য বিক্ষোভ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।
এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘এটিকে একটি জয় হিসেবে (জেন–জিদের) দেখাও যেতে পারে। যদি তা–ই হয়, তবে এখন অনেক বড় পরিসরের মানুষ সরকারকে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। ক্ষমতাসীন দল দেশের জন্য অবশ্যই ভালো—বড় একটি জনগোষ্ঠী এমন ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে শুরু করেছে।’
বিশ্লেষকেরা বলেন, বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায়। তবে এর পেছনে আরও কিছু বিষয় কাজ করেছে। তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ এবং ভারতের পরিচিত আইটি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) জোয়ার তাদের চাকরি কেড়ে নিতে পারে, এমন ভয়ও এ বিক্ষোভের পেছনে কাজ করছে।
ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক অমিতাভ তিওয়ারি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস ছিল এ আন্দোলনের একটি তাৎক্ষণিক উদ্দীপক। এটি মূলত তরুণদের মধ্যে থাকা উদ্বেগ, অস্থিরতা, অসন্তোষ, হতাশা ও ক্ষোভেরই প্রতিফলন।’
মোদির মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্য রাজনাথ সিং বলেন, ‘সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত উদ্বেগগুলো বোঝা, দ্রুত সেগুলোর সমাধান করা এবং তাঁদের এ আশ্বাস দেওয়া যে তাঁদের কথা শোনা হচ্ছে।’