কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও ভালো অবদান রাখছে সৃজনশীল (ক্রিয়েটিভ) অর্থনীতি। কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ২১ মে প্রথম আলো আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সৃজনশীল অর্থনীতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সফট পাওয়ার নেই। অথচ পাশের দেশের চলচ্চিত্র, সংগীত ইত্যাদি বিশ্বের অন্য দেশে যাচ্ছে।’
সৃজনশীল অর্থনীতি কেন সরকারের অগ্রাধিকারে এল, তা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী নানা ধরনের সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকুক। এখানে দুটি দিক আছে।
প্রথমটি হলো শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মাদক ও জঙ্গিবাদ থেকে তরুণদের দূরে রাখা। এ জন্য উত্তম উপায় হচ্ছে সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ সব ধরনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তাদের যুক্ত করা। দ্বিতীয়টি হলো সৃজনশীল কাজকে আবার কেউ পেশা হিসেবেও বেছে নিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এত দিন কোনো রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছিল না।
জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ সবারই পরিকল্পনা হচ্ছে দেশে সৃজনশীল অর্থনীতি উদ্দীপ্ত হোক। এ জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। আর এর মাধ্যমে বহুমাত্রিকভাবে লাভবান হবে বাংলাদেশ।