ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ বা চূড়ান্ত অর্থনৈতিক আঘাত হানার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, যেসব দেশ ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকতে সহায়তা করবে, তাদেরও আর্থিকভাবে শাস্তি দেওয়া হবে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল সংঘাত প্রায় ছয় মাসে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই ট্রাম্প নতুন করে এ হুমকি দিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কয়েকটি ক্ষতিকর বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়েছেন তিনি। এরপর নিজ দেশের অর্থনৈতিক শক্তি খাটিয়ে পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনের সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে এ পদক্ষেপ নিলেন ট্রাম্প।
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরানের দুই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার চীন ও রাশিয়ার ওপর ট্রাম্পের প্রভাব খাটানোর সুযোগ বেশ সীমিত। রাশিয়ার ওপর আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর বাইরে থেকে নিজেদের কার্যক্রম চালায়। অন্যদিকে নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রয়োজনে চীনও বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা করে না।