ইন্টারনেটের এই যুগে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘পেরেন্টাল কন্ট্রোল’ ফিচার। এখন থেকে অভিভাবকের অনুমতি ও সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়া শিশুরা চাইলেই এই মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে না।
সেটআপ করার সহজ পদ্ধতি
এই নিরাপত্তা ফিচারটি চালু করা বেশ সহজ। এর জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ডিভাইস সংযোগ: অভিভাবক ও সন্তানের ফোন দুটি পাশাপাশি রাখুন।
QR কোড স্ক্যান: শিশুর ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ খুললে একটি কিউআর (QR) কোড দেখা যাবে।
লিংক করা: অভিভাবকের ফোন দিয়ে সেই কোডটি স্ক্যান করলেই দুটি ডিভাইস একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন এবার ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে এআই
-69b67d9b9dc12.jpg)
অভিভাবকরা যা যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন
ডিভাইস দুটি সংযুক্ত হয়ে গেলে অভিভাবকের হাতে বেশ কিছু ক্ষমতা থাকবে:
যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ: শিশু কার সাথে কথা বলবে বা কোন গ্রুপে যুক্ত হবে, তা অভিভাবক নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
প্রাইভেসি সেটিংস: অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা এবং কনটেন্ট দেখার সীমা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
নিরাপত্তা: ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে শিশুকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় ফিল্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
শিশুদের জন্য যা থাকছে না
নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপের কিছু ফিচার এই সংস্করণে রাখা হয়নি:
• চ্যানেল ও স্ট্যাটাস আপডেট দেখা যাবে না।
• 'View Once' (একবার দেখে মুছে যাওয়া ছবি) এবং 'Disappearing Messages' এর মতো ফিচারগুলো বন্ধ থাকবে।
প্রাইভেসি নিয়ন্ত্রণ থাকলেও শিশুদের ব্যক্তিগত বার্তাগুলো যথারীতি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড থাকবে, অর্থাৎ অন্য কেউ তা পড়তে পারবে না। শিশু যখন নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছাবে, তখন সে চাইলে তার প্রোফাইলটিকে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে পরিবর্তন করে নিতে পারবে।