তাঁদের অধীনে ৭ জুনের নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া ‘প্রার্থী’দের জন্য অবশ্য আরও কিছু ‘বাপের দোয়া’সহ ‘ভাইয়ের দোয়া’, ‘চাচার দোয়া’, ‘মন্ত্রীর দোয়া’ও থাকবে। সব মিলিয়ে প্রার্থীদের প্রায় এক–তৃতীয়াংশই ‘দোয়ানির্ভর’। তাঁরা বর্তমান সরকারি দলের সংসদ সদস্য অথবা মন্ত্রীদের আত্মীয়স্বজন, অনেকের আবার নিজেদেরই আছে রাজনৈতিক পরিচয়। প্রার্থী তালিকা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ১৮৪ জনের কাউন্সিলর বা ভোটার তালিকার দিকে তাকালে এমন মুখ ভেসে উঠবে আরও অনেক।

বিসিবির এবারের নির্বাচনও তাই আগের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হয়ে পড়েছে। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি–১ থেকে পরিচালক হবেন ১০ জন। এর মধ্যে ৭ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। নির্বাচন হবে শুধু খুলনার দুটি ও বরিশালের একটি পদের জন্য, তা–ও হয়তো নামমাত্রই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন বিভিন্ন সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ক্যাটাগরি–৩ এর একমাত্র পরিচালকও।

দুজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় ঢাকার ক্লাবগুলোকে নিয়ে ‘ক্যাটাগরি–২’ এ প্রার্থী সংখ্যা ১৮ থেকে কমে ১৬ জন হয়েছে। এখানে পরিচালক হবেন ১২ জন, ‘ইলেকশন মেকানিজম’ এ ‘সাফল্য’ পেয়ে ৭–৮ জন এরই মধ্যে নিশ্চিন্ত। বাকি পদগুলোতে কাদের নির্বাচিত করতে হবে, কাদের বাদ দিতে হবে; তা নিয়েও ওপর মহলের চাপ আছে বলে অভিযোগ। এ নিয়ে ক্লাব ক্যাটাগরির প্রভাবশালী প্রার্থীদের সঙ্গে সরকারপক্ষের একাধিক সভা হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু এসব কথা আবার কোণঠাসা প্রার্থীরা প্রকাশ্যে বলেন না। হতে পারে তা ভয় কিংবা বিসিবির পরিচালক পদ ‘বিসর্জন’ দিয়ে ভবিষ্যতে অন্য কোনো লাভের আশায়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews