গত বুধবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলটির পর মেসি যখন কাঁদলেন, সেই কান্না কোনো সাধারণ আবেগের ছিল না। তিনি নিজেই পরে বলেছেন, মাঠের বাইরে এমন কিছু ঘটছে, যা তাঁকে ভেতর থেকে নাড়া দিচ্ছে। পরে সাংবাদিকেরা খুঁজে পেলেন উত্তর—বাবা হোর্হে মেসির শরীর ভালো নেই। ৬৮ বছর বয়সী যে মানুষটি ছেলের প্রতিটি বিশ্বকাপের স্বপ্নের সাক্ষী, তিনি এখন চিকিৎসাধীন। পরিবার বিবৃতি দিয়েছে। আর মেসি মাঠে নেমে হ্যাটট্রিক করেছেন। বোধহয় এটাই তাঁর ভাষা।
বিশ্বকাপে ১৬টা গোল হয়ে গেছে এরই মধ্যে, জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ডের সমান। আর একটি গোল, তারপর ইতিহাস একা তাঁর হয়ে যাবে। জন্মদিনের আগেই যদি সেটা হয়, বুধবার মোমবাতি নেভানোর আগেই, তাহলে আরও একটা নতুন গল্পের জন্ম হবে।