ময়নাতদন্তে আরও দেখা গেছে, ফুসফুস অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গিয়ে প্রায় দ্বিগুণ আকার ধারণ করেছিল। চিকিৎসকদের মতে, পানি ও বালুকণার প্রবেশে ফুসফুসের ভেতরে বায়ুথলিগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অক্সিজেন আদান-প্রদান বন্ধ হয়ে যায়, যা ডুবে মৃত্যুর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
হাসপাতাল সূত্রের দাবি, শরীরে যে পরিমাণ বালু ও নোনাপানি পাওয়া গেছে, তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে—রাহুল দীর্ঘ সময়, অন্তত এক ঘণ্টার বেশি সময় পানির নিচে ছিলেন। এ ছাড়া দেহে বড় ধরনের আঘাতের স্পষ্ট কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি, যা এ ঘটনাকে দুর্ঘটনাজনিত ডুবে মৃত্যুর দিকেই ইঙ্গিত করছে।