ইরানে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই বিবিসি ফারসি যেন যুক্তরাজ্য রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় বিক্ষোভের মাত্রা অতিরঞ্জিত করার এক বিশেষ মিশনে নেমেছে। তারা ইরানের সেই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করছে, যারা রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলেও ইসরায়েল বা তার প্রকাশ্য দালাল রেজা পাহলভির ইশারায় রাজনীতি করতে রাজি নয়।
এটি ইসরায়েলের স্বার্থে যুক্তরাজ্যের সফট পাওয়ার ব্যবহারের আরেকটি নজির। ইরান নিয়ে বিবিসি ফারসির এই একদেশদর্শী প্রচার একদিকে যেমন প্রবল, অন্যদিকে ঠিক ততটাই ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা নিয়ে তাদের নীরবতা দেখা গেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রকাশ্যে দেশে বিক্ষোভ হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, যাদের প্রকৃত অর্থনৈতিক ক্ষোভ রয়েছে, আর যারা সেই ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে সরকার উৎখাত বা ইরানের ভাঙন ঘটাতে চাইছে—এ দুই পক্ষের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। এই দ্বিতীয় লক্ষ্যটিই মূলত ইসরায়েলের প্রকল্প।