ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পামওয়েলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বোতলজাত এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে সরিষার তেল বিক্রির অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে উপজেলার ছলিমাবাদ গ্রামে অবস্থিত ‘এ আর এগ্রো ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ ভেজাল তেল, প্যাকেটজাত সামগ্রী ও নকল লেবেল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কয়েক হাজার ভেজাল লেবেল তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং বোতলজাতকরণের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ ও আতিকুর রহমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে পামওয়েলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বাজারজাত করছিল। পাশাপাশি ‘মদিনা সরিষার তেল’ নামে নকল লোগো ব্যবহার করে সরিষার তেল বিক্রি করা হচ্ছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং কয়েক ড্রাম তেল জব্দ করা হয়।
জব্দ করা তেল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রেখে তা পামওয়েল হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে নিম্নমানের পামওয়েলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো নকল করে বাজারজাত করাও গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিডি-প্রতিদিন/এআইএস