এই গবেষণার ফলাফল অনেকের প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। কেননা গবেষণা অনুসারে সফলতা, সুখী হওয়া বা সুন্দর জীবনের সবচেয়ে বড় পূর্বাভাস জন্মগত বুদ্ধিমত্তা, গণিতে ভালো নম্বর, সামাজিক অবস্থান বা ভালো অর্জন নয়।
বরং হার্ভার্ডের দীর্ঘমেয়াদি ‘স্টাডি অব অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্ট’ অনুযায়ী, পরবর্তী জীবনে শিশুর সফলতা ও সুখের সবচেয়ে শক্তিশালী দুই পূর্বাভাস হলো—ঘরের কাজ করা এবং ঘনিষ্ঠ, যত্নশীল সম্পর্ক পাওয়া।
এককথায় কীভাবে জীবনের শুরুর দিকেই শিশুরা আস্থার সম্পর্ক দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দায়িত্বের সঙ্গে আচরণ করে, তার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী জীবনে সে সফল হবে কি না।
যেসব শিশু ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কাজে অংশ নেয়, তারা শুধু বাড়ির কাজে সহায়তাই করে না; বরং তারা আরও গভীর কিছু শেখে। সেসবের মধ্যে আছে—
দায়িত্ববোধ
অন্যের প্রতি সচেতনতা
অন্যকে দেখানো বা বলা ছাড়াই নীরবে কাজ করার ক্ষমতা
বাহ্যিক চাপে নয়, ভেতর থেকে আসা অনুপ্রেরণা
গভীর সম্পর্ক থেকে সহানুভূতি তৈরি ইত্যাদি
মনোবিজ্ঞানীরা এটাকে বলেন ‘কনশিয়েনশিয়াসনেস’। এটি দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যুক্ত। আর এই মানসিকতা ক্যারিয়ারে সফলতা, স্বাস্থ্য ও জীবনের সন্তুষ্টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।