বেলাল বললেন, ক্লান্ত শরীরে ভোরের দিকে চোখ লেগে এসেছিল। গাড়ির জানালা খোলা ছিল। তখনই একদল কিশোর ছিনতাইকারী এসে চালকের আসনের পাশে থাকা মানিব্যাগ নিয়ে দৌড় দেয়। পাশের আরেকটি গাড়ির চালক সেটা দেখে ফেলেন। ছুটে গিয়ে মানিব্যাগ উদ্ধার করে আনেন। কিন্তু সেটায় থাকা টাকা ছিনতাইকারীরা নিয়ে নেয়।
সারিতে থাকা প্রায় সব চালকই তখন ঘুমে। এ সুযোগ নেয় ছিনতাইকারীরা। বেলাল বলেন, ‘অন্ধকার থাকায় প্রথমে বুঝতে পারিনি, কী ঘটেছে। পরে পাশের চালক যখন মানিব্যাগ এনে দেয়, তখন ছিনতাইয়ের কথা বুঝতে পারি। ওরা সংখ্যায় বেশি ছিল। তাই মানিব্যাগ উদ্ধার করে আনা চালক ভয়ে চিৎকার করতে কিংবা বাগ্বিতণ্ডায় যেতে সাহস পাননি।’
বেলাল আরও বলেন, ‘তেল কেনার জন্য সঙ্গে আনা ১০ হাজার টাকা আর মুঠোফোন অন্য জায়গায় রাখা ছিল। তাই খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। ছিনতাইকারীরা অল্প কিছু টাকা নিয়ে গেছে।’
এরও ঘণ্টা পাঁচেক পর বেলা ১১টার কিছু পরে বেলালের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। জানালেন, ১০টার দিকে তেল সরবরাহ শুরু হয়েছিল। কিছুক্ষণ আগে তিনি তেল পেয়েছেন।