সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তেলের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না জেনারেটর। ফলে দীর্ঘ দিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে জেনারেটরটি। লোডশেডিংয়ের সময় বন্ধ থাকছে অস্ত্রোপচার। টর্চ কিংবা মোমবাতি জ্বালিয়ে চলে হাসপাতালের জরুরি কার্যক্রম। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

জানা যায়, সেবার মান বাড়াতে ২০১৪ সালে ৩০ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। রোগীর অপারেশনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য নির্বিঘ্নে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হাসপাতালে একটি জেনারেটর বরাদ্দ দেয়া হয়।

তবে জ্বালানি তেলের প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে জেনারেটরটি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে দুর্ভোগে পড়ছেন রোগী ও স্বজনেরা। প্রায়ই বন্ধ থাকছে অস্ত্রোপচারও।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্বর্ণা রানী বলেন, ‘বিদ্যুৎ চলে গেলে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়। মেয়েরা ওষুধ ও খাবার পানি টিউবওয়েল থেকে নিয়ে আসতে ভয় পায়।’

শেফালী খাতুন বলেন, ‘তীব্র তাপদাহের ফলে এমনিতে জীবন ওষ্ঠাগত। তার ওপরে বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীরা হাস ফাঁস করেন। তারা আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন।’

সাইফুল ইসলাম নামের এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, ‘কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল ভবন তৈরি করা হয়েছে, জেনারেটর দেয়া হয়েছে । কিন্তু জেনারেটরই যদি না চলে এগুলোর দরকার কী? ’

লোডশেডিংয়ের সময় মোমবাতি ও টর্চ লাইট জ্বালিয়ে জরুরি সেবা দিতে হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: আশরাফুল আলম বলেন, ‘তেল সঙ্কটের কারণে জেনারেটর বন্ধ রয়েছে। আমরা বিদ্যুতের ডাবল ফিডারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাব দিয়েছি। লাইনটি চালু হলে আশা করছি বিদ্যুৎ সঙ্কট কেটে যাবে।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews