এ নিয়ে ‘আফটার এলিজাবেথ: ক্যান দ্য মনার্কি সেভ ইটসেলফ?’—বইয়ের লেখক এবং রয়্যাল হিস্টোরিক্যাল সোসাইটির ফেলো এড ওয়েন্স বলেন, ‘তাঁরা চান, তাঁদের সন্তানেরা যেমন মার্কিন হিসেবে বেড়ে উঠবে, তেমনি যুক্তরাজ্যে নাগরিক হিসেবেও বেড়ে উঠুক। তাঁরা চান, সন্তানেরা তাদের বাবার দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও উত্তরাধিকারকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করুক।’
এই লেখক মনে করেন, হ্যারি দ্রুতই ফিরবেন। এখানে আরও কিছু বিষয় কাজ করছে বলেও মনে করেন তিনি।
এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে, হ্যারির সঙ্গে তাঁর বাবার সম্পর্ক আরও মেরামত করার সুযোগ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ক্যানসার ধরা পড়ে। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, চিকিৎসায় চার্লস ভালো সাড়া দিচ্ছেন।
তবে গত বছর বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যারি বলেছিলেন, ‘আমার বাবা আর কত দিন বেঁচে থাকবেন, তা আমি জানি না।’