বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এখন এক নজিরবিহীন এবং জটিল বাঁক বদলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যবস্থা এখন আর কোনো একক পরাশক্তির নিয়ন্ত্রণে নেই; বরং এটি একটি বহুমুখী বা মাল্টিপোলার রূপ ধারণ করেছে। ঠিক এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ এক চরম ভূরাজনৈতিক চক্করের মাঝে অবস্থান করছে। একদিকে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর মনোযোগ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ঢাকা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার এক কঠিন চ্যালেঞ্জ সরকারের সামনে। চলতি মাসেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু যুগপৎ ঘটনা ঘটছে, যা দেশের ইতিহাসে বিরল। রাশিয়া, চীন, জাপান, ভারত, তুরস্ক থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যÑ সব ফ্রন্টে একসাথে সামাল দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এই বহুমুখী কূটনৈতিক দাবা খেলায় বাংলাদেশ কীভাবে নিজের জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে পরাশক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্য বজায় রাখছে, তা আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কূটনৈতিক এই সমীকরণের সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর অধ্যায়টি রচিত হচ্ছে নিকটতম প্রতিবেশী ভারতের সাথে। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক সফরটি ছিল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। এটি ছিল মূলত প্রতিবেশীর সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার এবং পারস্পরিক আস্থার ভিতকে আরও মজবুত করার একটি ইতিবাচক বার্তা। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, সেই সফরের রেশ কাটতে না কাটতেই সীমান্তে শুরু হয়েছে চরম উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক কনস্যুলার চুক্তিকে সম্পূর্ণ অমান্য করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) জোরপূর্বক বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করার এক বেআইনি তৎপরতা শুরু করেছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ফায়দা লোটার এই অপচেষ্টার কারণে সীমান্তে শত শত মানুষ অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশ এবার আর নীরব দর্শকের ভূমিকায় নেই। পুশইনের এই আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে ঢাকা অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যেই এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নয়াদিল্লিকে ঢাকার পক্ষ থেকে ডজনখানেক (১২-১৩টি) আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠি বা প্রটেস্ট নোট পাঠানো হয়েছে। একই সাথে ২৬টি জেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল ও নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলনেও এই পুশইন বন্ধের বিষয়টি বাংলাদেশ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টেবিলের শীর্ষে রেখেছে। বন্ধুত্বের বার্তার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় যে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, ঢাকা সেটি দিল্লিকে খুব স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দিচ্ছে।

ভারতের সাথে যখন এই নীরব স্নায়ুযুদ্ধ চলছে, তখন ঢাকা নিজেদের কৌশলগত বিকল্পগুলো খোলা রাখতে পূর্ব দিকের পরাশক্তিগুলোর সাথে সম্পর্ক ঝালিয়ে নিচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রাশিয়ায় এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সফর করেছেন। পশ্চিমা বিশ্বের কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য এক বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রজেক্টের সফল সমাপ্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার নিয়ে মস্কোয় গভীর আলোচনা হয়েছে। রাশিয়াকে পাশে রাখা মানে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি শক্ত খুঁটি নিশ্চিত করা, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি।

অন্যদিকে, এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি চীনের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে ঢাকা। খুব শিগগিরই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব। তাঁর এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরের চূড়ান্ত রূপরেখা ও এজেন্ডা প্রস্তুত করা। প্রধানমন্ত্রীর এই বেইজিং সফর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য এক গেম-চেঞ্জার হতে পারে। নতুন মেগা প্রজেক্টে চীনা বিনিয়োগ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং ব্রিকস-এ বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তিতে চীনের পূর্ণ সমর্থন আদায় করা এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ভারত যখন সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করছে, তখন চীনের সাথে এই উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত সখ্য ঢাকার জন্য এক বিরাট স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে। তবে একই সাথে ভারত ও পশ্চিমা বিশ্ব যেন এই সম্পর্ককে নেতিবাচক দৃষ্টিতে না দেখে, সেই ভারসাম্য রক্ষা করাও কূটনীতির এক বড় চ্যালঞ্জ।

পূর্বমুখী কূটনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র হিসেবে চীনের দিকে এখন গভীর মনোযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য বেইজিং সফরকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে বেইজিংয়ের সাথে ঢাকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব এক নতুন ধাপে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বেশ কয়েকটি নতুন মেগা অবকাঠামো প্রকল্পে চীনা বিনিয়োগ, সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের বিশাল ঘাটতি কমিয়ে আনার রূপরেখা এই সফরে চূড়ান্ত হতে পারে।

ভারতের সাথে যখন সীমান্তে পুশইন ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে চীনের সাথে এই উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত সখ্য ঢাকার জন্য এক বিরাট স্বস্তির বিষয়। এছাড়া, উদীয়মান অর্থনীতির জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে চীনের জোরালো সমর্থন আদায় করাও এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বকে এই বার্তাই দিচ্ছে যে, নিজেদের জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে ঢাকা যেকোনো একক বলয়ের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। এই ভারসাম্য রক্ষার কূটনীতিই বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

কেবল চীন বা রাশিয়াই নয়, বাংলাদেশ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নিজেদের কৌশলগত অংশীদারদের বহুমুখী করার নীতি বা ‘হেজিং স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করেছে। এর একটি বড় প্রমাণ হলো পূর্ব এশিয়ার আরেক প্রযুক্তিগত পরাশক্তি জাপান। দীর্ঘ আলোচনা ও প্রতিযোগিতার পর শেষ পর্যন্ত ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত ও অত্যাধুনিক ‘থার্ড টার্মিনাল’ বা তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চূড়ান্ত কাজ পেতে যাচ্ছে জাপান। এটি নিছক কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি নয়; বরং এটি একটি গভীর ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এভিয়েশন খাতে জাপানের মতো একটি বিশ্বস্ত ও স্বচ্ছ দেশের অন্তর্ভুক্তি যেমন দেশের সেবার মানকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাবে, তেমনি এটি পরোক্ষভাবে এই অঞ্চলে চীনের একচেটিয়া আধিপত্যকে কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে। জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশ বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক হাব হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

এর পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী দেশ তুরস্কের সাথেও বাংলাদেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই সফরের মধ্য দিয়ে আঙ্কারার সাথে ঢাকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, ড্রোন প্রযুক্তি, সামরিক হার্ডওয়্যার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফোরামে, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে তুরস্কের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বাংলাদেশের জন্য এক বড় কূটনৈতিক বিজয়।

কূটনীতি ও ভূরাজনীতির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়কে সুরক্ষিত রাখাও সরকারের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যেই আগামী ২১ জুন মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা জটিলতা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং নতুন করে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া সংকট দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্যই হলো মালয়েশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই মানবসৃষ্ট সংকট ও সিন্ডিকেটের অবসান ঘটানো, আটকে পড়া কর্মীদের যাওয়ার ব্যবস্থা করা এবং দেশের তরুণদের জন্য নতুন ও নিরাপদ কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচন করা। আসিয়ানভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের সাথে এই শীর্ষ বৈঠক আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের যখন নিজস্ব কূটনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে এতসব ফ্রন্টে লড়াই করছে, ঠিক তখনই বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে এক নতুন এবং মারাত্মক বিপর্যয়ের কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পুনরায় শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলা পুরো বিশ্বকে এক বড় ধরনের অর্থনৈতিক আতঙ্কে ফেলে দিয়েছে। এই সংঘাতের সরাসরি ও সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাবটি পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর। হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্য রুটগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের দাম রাতারাতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ একটি জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশ। মধ্যপ্রাচ্যের এই আগুন বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এক অশনিসংকেত। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পরিবহন খরচ, কৃষির সেচ খরচ এবং শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যায়। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির এক অসহনীয় চাপ তৈরি হয়। সরকারের ভর্তুকির পাহাড় আরও বড় হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। একদিকে দেশের রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স ধরে রাখার সংগ্রাম, অন্যদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানির এই আকাশচুম্বী দামÑ সব মিলিয়ে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান বাংলাদেশ যেন এক অদৃশ্য ভূরাজনৈতিক দড়াবাজির ওপর দিয়ে হেঁটে চলেছে। ভারত, চীন, রাশিয়া, জাপান এবং পশ্চিমা বিশ্বÑ সবারই নিজ নিজ কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে এই বদ্বীপকে ঘিরে। একদিকে পরাশক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বা ‘সফট ব্যালেন্সিং’ বজায় রাখা, অন্যদিকে প্রতিবেশী ভারতের বেআইনি পুশইন ঠেকানো, মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিশ্ববাজারের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করাÑ সবগুলো বিষয় একই সুতোয় গাঁথা। এই বহুমুখী ও জটিল ভূরাজনৈতিক চক্কর থেকে দেশকে নিরাপদে বের করে আনতে হলে অত্যন্ত দূরদর্শী, বিচক্ষণ এবং আপসহীন কূটনৈতিক কৌশলের কোনো বিকল্প নেই।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
rintuanowar.com



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews