প্রতিটি সফল প্রতিষ্ঠানে একজন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বা সিইও থাকেন। তিনি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেন, মানুষকে অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রেরণা জোগান।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আড়ালে প্রায়ই আরেকজন ‘সিইও’ থেকে যান—যাঁর কোনো নির্বাহী পদবি নেই, অথচ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের ওপর যাঁর প্রভাব সুগভীর। ইনি ‘চিফ এক্সকিউজ অফিসার’ বা ‘প্রধান অজুহাত কর্মকর্তা’।
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার প্রশ্ন করেন, ‘আমরা কীভাবে এটা করতে পারি?’ চিফ এক্সকিউজ অফিসার প্রশ্ন করেন, ‘এটা কেন সম্ভব নয়?’
একজন গতি তৈরি করেন, অন্যজন নিঃশব্দে সেই গতি নিঃশেষ করে দেন। একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ মূলত নির্ধারিত হয় এই দুই ‘সিইও’র মধ্যে কার প্রভাব সাংস্কৃতিকভাবে বেশি শক্তিশালী, তার ওপর।