ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কয়েছ আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, এম আহমদ সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে দেশে এসেছিলেন। তিনি দেশে আসার আগেই বাড়ির তত্ত্বাবধায়কের কাছে রোজায় ইফতার মাহফিল আয়োজনের জন্য একটি গরু কেনার টাকা পাঠিয়েছিলেন। দেশে আসার পর এম আহমদ নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে তাঁর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক ইফতার মাহফিলের আগের দিন একটি গরু জবাই করে মাংস প্রস্তুত করেন। সেই গরু যে চুরি করা, তা জানা ছিল না এম আহমদের। পরে বিষয়টি জানতে পারলে গরুর মালিককে ডেকে তাঁর ন্যায্য টাকা দিয়েছেন বিএনপির ওই কর্মী।
এম আহমদ গতকাল শুক্রবারে যুক্তরাজ্যে ফিরে গেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাড়ির তত্ত্বাবধায়ককেও কাজ থেকে বের করে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য প্রবাসীর বাড়ির তত্ত্বাবধায়কের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়।
গলমুকাপন গ্রামে বাসিন্দা রেজওয়ান আহমদ বলেন, ইফতার মাহফিলের জন্য যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাড়ির তত্ত্বাবধায়কের কাছে আগেই গরু কেনার টাকা পাঠিয়ে ছিলেন। কিন্তু বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক সে টাকায় হয়তো গরু কিনে বিক্রি করে ফেলেছিলেন কিংবা গরু না কিনেই টাকা খরচ করে ফেলেছিলেন। যুক্তরাজ্যপ্রবাসী দেশে আসার পর রোজার ষষ্ঠ দিন ইফতার মাহফিলের প্রস্তুতি নেন। বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক ইফতার মাহফিলের আগের দিন মাঠ থেকে অন্যজনের গরু নিয়ে জবাই করে মাংস বানিয়ে ফেলেন। এরপর ইফতার মাহফিলও হয়ে যায়। পরে গ্রাম থেকে একটি গরু চুরি যাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।