মূল প্রবন্ধে লেনিন চৌধুরী উল্লেখ করেন, দেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ শিশু। ধর্ষণ, পাচার, মানসিক নির্যাতন, অপুষ্টি ও শিশুশ্রমের মতো নানা সংকটে শিশুদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালে ৪০৩টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ভয়ভীতি, পারিবারিক লজ্জা, বিয়ে না হওয়ার শঙ্কা, সালিসসহ নানা কারণে অধিকাংশ ধর্ষণের ঘটনা আড়ালে থেকে যায়। বিশেষ করে ছেলেশিশু ধর্ষণের বেশির ভাগ ঘটনায় রিপোর্ট করা হয় না।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, প্রতি ১০টি শিশুর মধ্যে ৯টি শিশুই মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের শিকার। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মা-বাবা মনে করেন, বকাঝকা, মারধর বা শারীরিক আঘাত না করলে শিশু পড়াশোনা করবে না। এ ছাড়া ৫ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুদের ৯ দশমিক ২ শতাংশ শিশুশ্রমে নিয়োজিত এবং তাদের নিয়মিত শারীরিক আঘাতের শিকার হতে হয়। ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ১৮ শতাংশ অপুষ্টিজনিত গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে।
সেমিনারে হামে শিশুমৃত্যু নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করেন লেনিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমানে হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবে সরকারি হিসাবে কয়েক শ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক শিশু। শুধু অন্তর্বর্তী সরকারের অপরিণামদর্শী, কাণ্ডজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কারণে এ রকম একটি মানবিক বিপর্যয় ঘটে গেল।