দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘ছয় মাসেও বেতন-ভাতার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। কেন পারছেন না? একটা বড় বিষয় আছে, আর্থিক সক্ষমতা। চলতি অর্থবছরের রাজস্ব সংগ্রহের যে লক্ষ্যমাত্রা (৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা), তা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হবে।’
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার বেতন–কাঠামোর যে প্রতিবেদন দিয়ে গেছে, তা মূল্যায়ন করে ভাগে ভাগে বেতন-কাঠামো বাস্তবায়নের একটা সুপারিশ এসেছিল এবং তা সবাই মেনেও নিয়েছিল। এত দেরি না করে শুরুতেই যদি ২০-২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিয়ে দিতেন আর সময় প্রার্থনা করতেন, সেটা খুব ভালো হতো। এখন যে জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে, তা ভালো হয়নি।’
বিষয়টিকে ঝুলিয়ে রাখলে সমস্যা কমবে না, বরং যত দেরি হবে, পরিস্থিতি তত জটিল হবে বলে মনে করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তাঁর মতে, বেতন-ভাতার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে সরকারের অন্যান্য কাজও বিঘ্নিত হবে।