বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে শুধু মন্দিরে কেন? প্রশ্ন তুলেছিলেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বজয়ী ক্রিকেট দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। এমন বিতর্কের কয়েকদিন পরই শিখ ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় গুরুদ্বারে গেলেন ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় দিল্লির গুরুদ্বার শ্রীরাকাবগঞ্জ সাহিবে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

আগামী বছরই ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করেছেন গম্ভীর। এখন অনেকে প্রশ্ন করছেন, তাহলে কি ২৭-এর বিশ্বজয়ের প্রার্থনা করতেই গুরুদ্বারে গিয়েছেন তিনি?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেডকোচের টিমের পক্ষ থেকে সেই এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়। সেখানে দেখা যায়, মাথা ঢেকে রেখেছেন গম্ভীর। ক্রিকেটের মতো ক্রিকেট-সংস্কার নিয়েও ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর বেশ কড়া। টেকনিক্যাল ব্যাপারস্যাপার ছাড়াও খেলাটার চারপাশে ঘুরতে থাকা সংস্কারগত যে সমস্ত বিষয় থাকে, তাতেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তিনি।

ভারতের বিভিন্ন শহরে যেসব প্রসিদ্ধ মন্দির রয়েছে, গম্ভীর নিয়ম করে সেখানে যান। পূজা দেন। কলকাতায় গেলে কালীঘাট। মুম্বাই গেলে সিদ্ধি বিনায়ক। গুহোটি গেলে কামাখ্যা। বিশ্বকাপ জয়ের রাতেও হনুমান মন্দিরে পূজা দিয়েছিলেন তিনি।

এরপরই ১৯৮৩-র বিশ্বজয়ী কীর্তি আজাদ প্রশ্ন তুলেছিলেন, এই ট্রফি ভারতের সমস্ত ধর্মাবলম্বী মানুষের। সেই ট্রফি কেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে?

বিশ্বকাপ জেতার নেপথ্যে সঞ্জু স্যামসন এবং মোহাম্মদ সিরাজের মতো সংখ্যালঘু ক্রিকেটারদের অবদানের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সংসদ সদস্য কীর্তি।

যদিও তার এই মন্তব্য আমলে না দিয়ে গম্ভীর বলেছিলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার কোনো মানে নেই। ভারত বিশ্বকাপ জিতেছে, সেটা বিরাট ব্যাপার। সেটাকেই সেলিব্রেট করুন। এই ধরনের কথাবার্তা নিয়ে আলোচনার দরকারই নেই।’

অনেকেই বলেছিলেন, এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন কীর্তি। এবার এই বিতর্কের মধ্যে দিল্লির গুরুদ্বারে গেলেন গম্ভীর। তবে নেটিজেনরা এই প্রশ্নও তুলেছেন, বিতর্কের মুখে পড়েই কি সিদ্ধান্ত বদল করলেন গৌতম?



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews