মাথার ওপর তপ্ত রোদ, আর তার নিচেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে ১৪ বছরের কিশোর মুহাম্মদ আল-রুবি। উদ্দেশ্য একটাই—একটু রুটি কেনা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ধরে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও শেষ পর্যন্ত রুটি কপালে জুটবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজায় আটা ও জ্বালানির এই তীব্র ঘাটতি তৈরি হয়েছে মূলত ইসরাইলের পক্ষ থেকে পণ্য আমদানির ওপর নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করার কারণে। এর ফলে বেকারিগুলো ফিলিস্তিনিদের প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই সামান্য পরিমাণে রুটি তৈরি করতে পারছে। ইসরাইলের বিধ্বংসী যুদ্ধের কারণে গাজার সিংহভাগ মানুষই এখন বাস্তুচ্যুত।

ঘরবাড়ি হারিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নামা এই মানুষগুলো এখন সামান্য ভুর্তকি মূল্যের রুটির প্যাকেটের জন্য অবশিষ্ট হাতেগোনা কয়েকটি বেকারির সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

রুটির জন্য এমন যুদ্ধ কেন, তা জানা গেল কিশোর আল-রুবির কথায়। সে জানাল, তার চাচার পরিবার আর তারা সবাই এখন একই ছাদের নিচে থাকছে। খাবার যা জোটে, তা সবাই ভাগাভাগি করে খায়। তাই প্রতিদিন তাদের অনেক বেশি পরিমাণে রুটির দরকার হয়। সে কারণেই আল-রুবি তার চাচাতো ভাইকে সাথে নিয়ে বেকারিতে এসেছে।

তবে লাইনে যেন ভিড় একটু কমানো যায় এবং রুটি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, সেজন্য তারা দুজন আলাদা দুটি লাইনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

আল-রুবি আক্ষেপ করে বলল, এমন অনেক দিন যায় যখন রুটি শেষ হয়ে যায় আর মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে তাদের খালি হাতেই ফিরে যেতে হয়।

গাজার এই মানবিক সংকট দিন দিন আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

সূত্র : আল জাজিরা



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews