২০২৩-২৪ সালে আইইইই এআইইউবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের চেয়ারপারসন থাকাকালে টেকসই জ্বালানি নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ শুরু করি। ৫৬টি সেমিনার, ওয়েবিনার ও সম্মেলনের আয়োজন করেছিলাম আমরা। যার মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব, সমন্বয়, নেটওয়ার্ক তৈরি, সব রকম চর্চাই হয়েছে। একই সময়ে আমার সাতটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। ফলে গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে। ২০২৪ সালে স্নাতক শেষ করি। ভালো ফলের জন্য পেয়েছিলাম স্বর্ণপদক।
এরপর বাংলাদেশের একটি শীর্ষ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কাজের সুযোগ পাই। কিন্তু কয়েক মাস কাজ করার পরই উপলব্ধি করি, গবেষণার প্রতি আমার আগ্রহটা বেশি। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কঠিন ছিল; কারণ, ভালো একটা চাকরি ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে হাঁটা সহজ নয়। সেই সময় সাহস জুগিয়েছিলেন মা। বলেছিলেন, ‘তুমি আরও বড় কিছু করার জন্যই জন্মেছ। অন্তত চেষ্টা করো।’
ব্যাস, চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করলাম আইইএলটিএস, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন ও স্কলারশিপের প্রস্তুতি। আশপাশের অনেকেই সিদ্ধান্তটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেছিলেন। কিন্তু আমি জানতাম, কিছু স্বপ্ন আছে, যেগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ছেড়ে বেরিয়ে আসতেই হয়।