পোস্টাল বিডি অ্যাপ ইনস্টল করার পর জানতে পারি, আমাদের অঞ্চলে নিবন্ধনের সময়সীমা ২৪ থেকে ২৮ নভেম্বর। ২৫ নভেম্বর অ্যাপে ভোটার আইডি দিয়ে বারবার নিবন্ধনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলাম। মনে হলো, আমাদের ভোটার আইডি যেহেতু পুরোনো, স্মার্ট কার্ড নয়, তাই হয়তো হচ্ছে না। তবু পরদিন নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যোগাযোগ করলাম। তাদের কাছ থেকে জানা গেল, পুরোনো আইডি দিয়েও অনেকে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। আবার চেষ্টা করলাম। এবার ধাপে ধাপে এগিয়ে সেলফি ভেরিফিকেশনের পর স্ক্রিনে দেখাল, ‘৩৫ জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর)’ এবং আমার গ্রামের ঠিকানা। আমাদের জন্য সেটা ছিল একেবারেই নতুন এক অভিজ্ঞতা।

এরপর প্রায় ২০ দিন অপেক্ষা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন সংবাদপত্রে দেখছিলাম, অনেক প্রবাসীই ব্যালট পাচ্ছেন। আমরা নিয়মিত অ্যাপে ট্র্যাকিং করতাম, ডাকবাক্স খুলে চেক দেখতাম। অবশেষে আমাদের ঠিকানায় আমার ও স্ত্রীর নামে দুটি সাদা খাম এল। নির্দেশনা অনুযায়ী সময়মতো ফেরত পাঠাতে ২৪ জানুয়ারি ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ২৩ তারিখ রাতে যখন খাম খুলে সব নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়ছিলাম, কী যে একটা অনুভূতি, বলে বোঝানো অসম্ভব। গণভোটের সব নির্দেশনা পড়ার পর আসল ব্যালট খুলে দেখি ১১৮টি প্রতীক! কৌতূহলবশে দেখছিলাম কোনটা কোন দলের প্রতীক!

সকালে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেব! কাকে ভোট দেব? কেউ তো সেভাবে ভোটও চাননি। কত চিন্তা মাথায় নিয়ে সকালে অ্যাপ বের করে দুই ধাপে সেলফি দিয়ে ব্যালট প্রাপ্তি কনফার্ম করলাম। একই কলমে দুজন দুইটায় ভোট দিলাম, তারপরও গোপনে! এরপর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যালট দুটি সাদা খামে এবং অঙ্গীকারনামা হলুদ খামে ভরে সিল করলাম। এ সময় ছবি তোলা, ভিডিও কলে সবাইকে ভোটদান দেখানো, আনন্দ-উচ্ছ্বাস—কোনো কিছুই বাদ পড়ল না!



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews