নিখোঁজের দুই দিন পর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সিনথিয়া খানম বৃষ্টি (৭) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাশিয়ানী থানার পুলিশ ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল বাজারের পশ্চিম পাশের একটি বাগান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত সিনথিয়া খানম বৃষ্টি উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে। সে পাংখারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বৃষ্টির বাবা লিটন শেখ জানান, গত রবিবার বিকেলে বৃষ্টি তারাইল বাজারে যায়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মাইকিং করা হয় এবং সোমবার কাশিয়ানী থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বৃষ্টির মা পাপিয়া বেগম।
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে বাজারসংলগ্ন বাগান থেকে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের সময় বৃষ্টির কানে স্বর্ণের দুল ছিল না। তার ধারণা, দুল ছিনতাই করে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বিডি-প্রতিদিন/আশফাক