গাজীপুরে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এম-ডুয়েট প্রকল্পের আওতায় ‘বিজয় ২৪’ হলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিসি বলেন, ‘ডুয়েটের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ এম-ডুয়েট প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষণাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে একনেকে অনুমোদিত এই উদ্যোগ একটি ‘স্মার্ট প্রকল্প’। অনুমোদনের পর থেকেই সংশ্লিষ্টদের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টায় প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষকদের জন্য টাওয়ার বিল্ডিং এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বিজয় ২৪’ হলের সম্প্রসারণ কাজ শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটির পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষায় ডুয়েটের নেতৃত্বে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা আরো সমৃদ্ধ হবে।’
এ সময় প্রকল্পের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকলের অবদান স্মরণ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভিসি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো: আরেফিন কাওসার বলেন, ‘প্রকল্প অর্জনের চেয়ে তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা আরো চ্যালেঞ্জিং।’
সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এম-ডুয়েট প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এম-ডুয়েট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদার, কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে একই প্রকল্পের আওতায় শিক্ষকদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেইন ক্যাম্পাসের টাওয়ার বিল্ডিংয়ের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংলগ্ন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সাইকেল শেড উদ্বোধন করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবন আরো নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।