বৃটেনের ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে চমক দেখিয়েছিল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টি। স্থানীয় নির্বাচনের সফলতায় সে বছর জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে দলটি। তবে মাত্র দু’বছরের মাথায় রাজনীতির মাঠের চিত্র পাল্টে গেছে। গত ৭ মে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছে লেবার পার্টি। বৃটিশ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতদের বিরাট একটি অবদান রয়েছে। তারা বিভিন্ন দল থেকে প্রার্থী হন, জয়লাভও করেন। ফলে এই নির্বাচনের বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর লেবার পার্টি সরকার চাপের মুখে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের চাপ দেয়া হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে তার গদি টিকবে তো? তবে তিনি পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন।
কেন লেবার পার্টি থেকে মুখ ফেরালেন জনগণ? এর নানা কারণ রয়েছে বলে বলছেন বিশ্লেষকরা। ৭ মে বৃটেনে অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ভোট গণনার প্রাথমিক ফল হতাশ করেছে লেবার পার্টিকে। প্রাথমিক ফলাফলে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে। ফল শেষেও একই চিত্র। জানা যায়, লেবার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন কাউন্সিলে লেবারের আসন কমেছে। অন্যদিকে ফলাফলে উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেছে অভিবাসী বিরোধী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে। অনেকেই মনে করছেন, এই ফলাফল প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফর্ম ইউকের উত্থান বৃটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে প্রথম স্থানে রয়েছে রিফর্ম ইউকে ও এর পরে রয়েছে লেবার পার্টি। তবে তার আসন অনেক কমেছে। নির্বাচনে ভরাডুবি নিয়ে স্টারমার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে মানুষ পরিবর্তন আশা করলেও সেই পরিবর্তন এখনও অনুভব করছে না। স্টারমারের মন্ত্রিসভার পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সরকার ও লেবার পার্টির জন্য বড় বার্তা বহন করছে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। দেশের রাজনীতিতে মেরুকরণ বাড়ছে এবং এটি জাতীয় ঐক্যের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এদিকে স্থানীয় নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ দাবি করেছেন, এই ফলাফল ব্রিটিশ রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ক্ষমতার আসনে থাকা অন্যতম রাজনৈতিক দল কনজারভেটিভ পার্টিও নির্বাচনে ভালো ফলাফল করতে পারেনি , তারা রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে । তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিবারেল ডেমক্রেট দল।
নির্বাচনে দলের বিপর্যয়ের পর এ পর্যন্ত ৪ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন লেবার মন্ত্রীসভা থেকে। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভায় ৪ মন্ত্রীর পদত্যাগে চাপে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সর্বশেষ পদত্যাগ করেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুবাইর আহমেদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পদত্যাগপত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে উদ্দেশ করে বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর যুক্তরাজ্যের জনগণ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা হারিয়েছে। কিয়ার স্টারমারের ওপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে চারজন জুনিয়র মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ক্ষমতা ছাড়ার দাবি জানানো লেবার পার্টির এমপিদের সংখ্যা বেড়ে ৮৭ জনে পৌঁছেছে বলে খবর। গত মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে আরো তিনজন জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে স্টারমারের বিরুদ্ধে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ চাপ আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
কেন পদত্যাগ ? গত সপ্তাহের নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর দলটির এমপিদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। অনেকেই প্রকাশ্যে স্টারমারের পদত্যাগ অথবা ক্ষমতা হস্তান্তরের সময়সূচি ঘোষণার দাবি তুলেছেন। বর্তমানে ৮০ জনের বেশি লেবার এমপি স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দলীয় নিয়মানুযায়ী, লেবার পার্টির অন্তত ২০ শতাংশ এমপি বিকল্প কোনো প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিলে বর্তমান নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করা যায়। তবে কিয়ার স্টারমার তার মন্ত্রিসভাকে জানিয়েছেন, এখনো সে প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রিত্ব বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন বলে খবর। স্ট্রিটিংকে ভবিষ্যতে স্টারমারের নেতৃত্বের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এমপি জেস ফিলিপস, যিনি সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন, এবং স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুবাইর আহমেদ। এছাড়া ৮০ জনেরও বেশি লেবার এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যা প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে দলের গভীর বিভক্তি প্রকাশ করেছে, যে কথা আগেই বলেছি।
মঙ্গলবার স্টারমার বলেছেন যে তিনি সরকার পরিচালনার কাজ চালিয়ে যাবেন। একই সময় স্টারমার তার মন্ত্রিসভার সহযোগী এবং শতাধিক এমপির সমর্থন থাকার দাবি করেছেন। পাশাপাশি নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে সতর্কও করেছেন স্টারমার।
তবে গত সপ্তাহের হতাশাজনক নির্বাচনী ফলাফলের পর লেবার পার্টির বিদ্রোহে প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডাউনিং স্ট্রিটে এই পদত্যাগ ও অস্থিরতার মধ্যেই সরকার রাজার ভাষণের মাধ্যমে তাদের নতুন আইন প্রণয়ন কর্মসূচি উপস্থাপন করতে যাচ্ছে। নতুন পার্লামেন্ট অধিবেশনের সূচনা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানের আগে স্ট্রিটিং ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে কথা রয়েছে। বিবিসিকে জানানো হয়েছে, বৈঠকের পর স্ট্রিটিং এমন কোনো মন্তব্য করবেন না যা রাজার ভাষণ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি এক ধরনের “স্থগিত রাজনৈতিক সংকট”; যেখানে চাপ আছে, বিরোধ আছে, কিন্তু সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ এখনো হয়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বিরোধীদের ভেতরের বিভক্তি। আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এই নীরব অসন্তোষ যদি এক পর্যায়ে সংগঠিত বিদ্রোহে রূপ নেয়। শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন এখন একটাই- এই চাপ কি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবে, নাকি হঠাৎ করেই লেবার পার্টির নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের দরজা খুলে দেবে?
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার জন্য লেবার পার্টির অন্তত ৮৬ জন এমপি আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে ১০০ জনের বেশি এমপি এক বিবৃতি প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। তারা বলেছেন, এখন নেতৃত্বের লড়াইয়ের সময় নয়। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার বলেছেন, তিনি সরকারের দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন। দলে নেতৃত্ব নিয়ে কোন লড়াই শুরু হয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের ওপর চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাজ্যের রাজনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে।
স্টারমার পদত্যাগ করলে কী হবে? সেক্ষেত্রে লেবার পার্টির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিয়ম অনুযায়ী দলটির এমপিদের অন্তত ২০ শতাংশ কোনো বিকল্প প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন দিলে বর্তমান নেতাকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। তবে এর আগে স্টারমার তার মন্ত্রিসভাকে বলেছেন, এখনো সে প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
স্টারমারের জায়গায় কে আসতে পারেন? যাদের নাম আলোচনায় আছে, তারা হলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার ও গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে স্ট্রিটিং বা রেনার, কেউই এখনো এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। আর বার্নহ্যাম বর্তমানে এমপি নন, কারণ জানুয়ারিতে তাকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।
স্টারমার কি সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিতে পারেন? যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম সাধারণ নির্বাচন ডাকতে পারেন। এজন্য তাকে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার অনুরোধ করতে হবে। যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালের ১৫ অগাস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে চাইলে স্টারমার তার আগেই নির্বাচন ডাকতে পারেন।
যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতরা ভালভাবেই জড়িয়ে আছেন। এমপি মন্ত্রী হয়েছেন। এবার স্থানীয় নির্বাচনে ৮০ জন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন । পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত চার বরো (স্থানীয় কর্তৃৃপক্ষ) টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহাম, রেডব্রিজ ও বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে তারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ব্রিটিশ-বাংলাদেশী কমিউনিটির রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন। এবারের নির্বাচনে লন্ডনপ্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি থেকে তিন শতাধিক প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, চার বরোতেই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বড় একটি অংশ মূলধারার বড় রাজনৈতিক দলের বাইরে স্বতন্ত্র ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সাফল্য অর্জন করেছেন। সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে টাওয়ার হ্যামলেটসে। এতে অ্যাস্পায়ার পার্টি মনোনীত কাউন্সিলররা বড় ধরনের জয় পেয়েছেন। পার্টির প্রার্থী লুৎফুর রহমান এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হন। ৪৫ সদস্যের কাউন্সিলে দলটি ৩৩টি আসনে জয়লাভ করে রেকর্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। নির্বাচিত এই ৩৩ জনই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। লেবার পার্টি থেকে তিনজন এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে নিউহামেও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা বড় সাফল্য অর্জন করেছেন। নির্বাচিত কাউন্সিলরদের মধ্যে ১২ জন নিউহাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টি থেকে, ৬ জন লেবার পার্টি থেকে এবং একজন গ্রীন পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন। একই সঙ্গে নিউহামের নতুন নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত প্রার্থী ফরহাদ হোসেন। তিনি যুক্তরাজ্যের মূলধারার বড় রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশী নির্বাহী মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। ফরহাদ হোসেন লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। রেডব্রিজেও বাংলাদেশী কমিউনিটির শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা গেছে। সেখানে নির্বাচিত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলরদের মধ্যে ৯ জন লেবার পার্টি থেকে এবং ৫ জন স্বতন্ত্র রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে জয় পেয়েছেন। অন্যদিকে বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে নির্বাচিত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলরদের মধ্যে ৮ জন লেবার পার্টি থেকে এবং ২ জন গ্রীন পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন। এছাড়া টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার পার্লামেন্টারি দুটি আসনের সংসদ সদস্য রুশনারা আলী ও আফসানা বেগমও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
পূর্ব লন্ডনের বাইরে রাজধানীর অন্যান্য বরো ইলিং, ক্রয়ডন ও ব্রেন্টেও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি লন্ডনের বাইরে বার্মিংহামেও কয়েকজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত প্রার্থী জয় পেয়েছেন। আগামী কয়েক দিনে সেখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি হয়তো আরেকটু পরিষ্কার হবে। তবে আরো মন্ত্রীর পদত্যাগ বিষয়টিকে জটিল করে তুলতে পারে।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।