এই গোনায় না ধরার সবচেয়ে বড় প্রমাণ, দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আমন্ত্রণ পেল। সেই সিরিজটাও হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ভেন্যুগুলোর বাইরে ডারউইন আর ম্যাকেইয়ের মতো অখ্যাত ভেন্যুতে। আর সিরিজটাও হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মৌসুমের অফ সিজনে। এমনকি সে রকমভাবে স্পনসরও পাওয়া যায়নি। খেলা তিন দিনের মধ্যে শেষ হবে ধরে নিয়ে গ্যালারির সবচেয়ে দামি অংশের চতুর্থ দিনের কোনো টিকিটই বিক্রি হয়নি।
যদিও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের সেরা দলটাই নামিয়েছে; কিন্তু তাদের শরীরী ভাষাতে প্রতিপক্ষের জন্য শ্রদ্ধার ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের ম্যাচ শুরুর আগের বক্তব্যে ছিল তাচ্ছিল্যের সুর। দলের অভিজ্ঞ পেসার হ্যাজলউড দাবি করেন যে বাংলাদেশ নিয়ে তাঁদের কাছে যথেষ্ট ফুটেজ না থাকায় প্রস্তুতিটা ভিন্ন হয়েছে। প্রযুক্তির এই যুগে কেউ হয়তো এ কথায় এই গন্ধও পেতে পারেন যে আসলে বাংলাদেশ নিয়ে তাঁরা তেমন একটা ভাবেনইনি।
মিডিয়াও এতে হাওয়া দিয়েছে। টেস্ট দুই দিনেই শেষ হবে, বাংলাদেশ লজ্জাজনকভাবে উড়ে যাবে বলে চারদিকে ঠাট্টা–তামাশা চলছিল। মাসখানেক আগেই জিম্বাবুয়ের কাছে হারা এবং অস্ট্রেলিয়ায় এসে প্রস্তুতি ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশকে নিয়ে সেই আশঙ্কা বাড়াবাড়ি হয়তো ছিল না, কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটের প্রতিপক্ষ হিসেবে যতটা সম্মান পাওয়ার এর চেয়ে অনেকটাই কম পেয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া খুব হালকাভাবে নিয়েছে।