বিরোধী দল কি শিক্ষার্থীদের হত্যা করে লাশের রাজনীতি করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নিজের ব্যাক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, শেরপুর -৩ ও বগুড়া- ৬ আসনের উপ নির্বাচনে কারচুপির কথা বলা হচ্ছে বিরোধী শিবির থেকে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেই কারচুপির নমুনা তারা দেখাতে পারছে না। গণমাধ্যমেও কারচুপির বিষয়ে কোনো নিউজ দেখা যাচ্ছে না। তাহলে বিরোধী দলের রাজনীতি যদি হয় শুধু বিরোধিতা করা, সেক্ষেত্রে এই দেশ কখনোই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
রাজু ভাস্কর্যে অনশনে বসার প্রসঙ্গে বিএনপি এ নেতা বলেন, বিরোধী শিবির থেকে কয়েকজনকে রাজু ভাস্কর্যে অনশনে বসানো হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এই শিক্ষার্থীদের কেউ মারা গেলে সরকারকে খেসারত দিতে হবে। তাহলে কি বিষয়টা এমন যে, এই শিক্ষার্থীদের অনশনের মাধ্যমে হত্যা করে সরকারের বিরুদ্ধে লাশের রাজনীতি করা হবে?
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরেই জামায়াতের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিলো এক ফ্যাসিবাদকে হটিয়ে আরেক ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতায় বসাবো না। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই জামায়াত আওয়ামী লীগের মত বিএনপির পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় বসার স্বপ্নে বিভোর। কিন্তু এমন পথে তো ক্ষমতায় যাওয়া কঠিন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে তো চেষ্টা করলো। কিন্তু হলো না। সুতরাং জামায়াতের উচিত হবে ভোটের মাধ্যমেই ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করা। কারণ বিএনপিও গণঅভ্যুত্থানে পক্ষের শক্তি, ঠিক যেমনটা জামায়াত। এক্ষেত্রে একজন আরেকজনকে হটিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া বা থাকা এতো সহজ হবে না। বরং বিপরীত পথে হাঁটলে হোচট খাবে বাংলাদেশ। ফিরবে আবারও উভয় দলের কমন শত্রু। সুতরাং সবার জন্য সহনশীল রাজনীতিই হবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার একমাত্র পথ।