উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলোর বিষয়ে ওসি সাইফুল আলম রাতে প্রথম আলোকে বলেন, আটকের সময় ওই ব্যক্তির কাছে থাকা ব্যাগ থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি শক্তিশালী পাঁচটি পাইপবোমা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে বাসার নিচতলার কক্ষটি থেকে ইতিমধ্যে আরও একই জাতীয় বেশকিছু বোমা এবং বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক আবদুল জলিলের মেয়ে ইলমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আব্বাস আলী নামের একজনসহ আরও একজন বাসা ভাড়া নিতে আসার পর গত ২ তারিখে (২ আগস্ট) ভাড়া দেওয়া হইছিল। তারা সম্ভবত ৩ তারিখ রাত থেকে থাকা শুরু করছে। তারা বলছিল স্বামী-স্ত্রী থাকবে। পাশের একটি স্কুলে বাচ্চাদের পড়াবে। ফ্যামিলি ভাইবা আমরা ভাড়া দিছি। ভেতরে যে এত কিছু লুকাইয়া রাখছে, এটা তো আমরা জানি না। তারা বলছিল তারা গাড়ি চালায়, ড্রাইভার।’
এর আগে গত ৩০ জুলাই সাভারের আশুলিয়ায় একটি মুদিদোকানে ফেলে যাওয়া ভ্রমণব্যাগ থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি একটি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সিটিটিসি ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল সেটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।