গত কয়েক মাস ধরে লারিজানির দায়িত্ব ক্রমেই বেড়েছিল। জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো কঠোর দমন-পীড়ন তদারকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পাশাপাশি লারিজানি মিত্র দেশ ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত মোকাবিলায় ইরানকে প্রস্তুত করার কাজেও যুক্ত ছিলেন।
লারিজানি একজন রক্ষণশীল রাজনীতিক হলেও ক্রমশ কট্টরপন্থীদের প্রভাব বাড়তে থাকা শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে তুলনামূলক বাস্তববাদী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জায়গায় একজন মধ্যপন্থী সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগের পক্ষে মত দিয়েছিলেন বলে সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমস খবর প্রকাশ করেছিল।
অবশ্য শেষ পর্যন্ত লারিজানির চাওয়া পূরণ হয়নি। আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকেই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
জ্যেষ্ঠ এক ইরানি কর্মকর্তা ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে তিনি ফোনে খবর পেয়েছেন। তাঁর মতে, এ ঘটনায় ইরানি কর্মকর্তারা যেমন গভীর আঘাত পেয়েছেন, তেমনি তাঁরা উদ্বেগের মধ্যেও আছেন।