জাহিদ জামিল
সাধারণত রাজনৈতিক কার্টুন/ইলাস্ট্রেশন আঁকা হয় কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা পরিস্থিতিকে দর্শক-পাঠকদের কাছে সহজে উপস্থাপন করার জন্য। কিন্তু যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে খোদ রাজনৈতিক কার্টুনকেই লিখে-বলে বোঝাতে হচ্ছে, তাহলে তার সম্ভাব্য দুটি কারণ থাকতে পারে। এক, অত্যন্ত জটিল ও দুর্বোধ্য ভাবে আঁকা। দুই, সমালোচকদের কোনো পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে না বোঝার ভান করা।
কার্টুনিস্ট মেহেদী হক অত্যন্ত সহজ ভাষায় কার্টুন আঁকেন। তাঁর কার্টুনের বিবরণ যে কেউই বুঝবেন। কিন্তু গেল সপ্তাহজুড়ে আমরা দেখলাম সমালোচনার নামে মেহেদী হকের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতে।
এমনটা নতুন নয়, মেহেদী হক এবং সমসাময়িক আরও অনেক কার্টুনিস্ট বা সৃজনশীল ধারার লোকেরা এমন হেনস্তার শিকার হয়ে চলছেন বহু বছর ধরেই। হাসিনার আমলেও প্রতিনিয়ত এমন সব ক্ষুরধার কার্টুন এঁকে গেছেন মেহেদী হক। বহুজন তাঁর আঁকা কার্টুন ফেসবুকে শেয়ার দিতেও ভয় পেতেন। সেই মেহেদী হককেই এখন আওয়ামী লীগের দালাল বলে গালি দেওয়া হচ্ছে।
মূল কথা কার্টুনিস্টদের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক সব সময় খারাপ থাকবেই। তা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত এমনকি বামপন্থীরাও কেউ যদি ক্ষমতাকাঠামোয় যায়, তখনো।