বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, মেঘনা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না। আইনের ফাঁকফোকরে কোনো দাগি অপরাধী যেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে যেতে না পারে, সেদিকে পুলিশকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা কনফারেন্স রুমে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মারুফ বলেন, জনগণের কাছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। মেঘনা নদীতে বালুখেকো, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় নেই। অপরাধ দমনে সরকারের নীতিগত অবস্থান জিরো টলারেন্স। দেশের সার্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আইনশৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য।
তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো আদর্শ নেই, দল নেই। তাদের পরিচয় শুধুই অপরাধী। অপরাধী যে দলের বা মতেরই হোক না কেন, তাদের ক্ষমা নেই। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেঘনা থানার ওসি মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এমএম মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন সরকার ও দিলারা শিরীন প্রমুখ।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলে পুলিশি বাধার মুখে এনসিপি নেতারা

পরে খন্দকার মারুফ হোসেন আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রাম পরিদর্শনে যান। সম্প্রতি সেখানে সংঘটিত নৃশংস হামলায় নিহত গৃহবধূ কোহিনূর বেগমের (৪৫) পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি এ বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এরপর খন্দকার মারুফ মোজাফফর আলী হাইস্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এক বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।