জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের ২০২৫ সালের আমদানি–রপ্তানি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের যেসব ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড়ের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে অন্তত ২ হাজার ১৬টি পণ্য গত বছর বাংলাদেশ আমদানি করেছে। এসব পণ্যের মোট আমদানিমূল্য ছিল প্রায় ৬৫ কোটি মার্কিন ডলার। চুক্তি কার্যকর হলে ধাপে ধাপে এসব পণ্যের শুল্ক কমানো বা বাতিল করা হলে তাতে বাংলাদেশের রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৪১৯ কোটি টাকা।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি পণ্যে যেসব সুবিধার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবচিত্র খুবই সীমিত। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে যে সুবিধার কথা বলেছে, গত বছর সেই তালিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৪টি পণ্য। এসব পণ্যের মোট রপ্তানিমূল্য ছিল প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলারের। বাংলাদেশ যদি এসব পণ্যে পাল্টা শুল্কসুবিধা পেত, তাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে রাজস্ব ছাড় দিতে হতো প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার বা প্রায় দেড় কোটি টাকা।