ভাঙচুর সম্পর্কে বাবর আলী বলেন, ‘এ সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। আদালতের সিসি ক্যামেরায় দেখা যাবে, এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নিক। আমরা এতে জড়িত নই।’
তবে আদালতে উপস্থিত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিচারক কোনো সমালোচনা করেননি। তিনি (বিচারক) বলেছিলেন, “বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সব জায়গায় খারাপ। এখানে যারা আপনাদের লোক আছেন, তাঁদের একটু বলেন, আদালত চলাকালে যেন বিদ্যুৎ থাকে, সেই ব্যবস্থা যেন করেন।” তখন এজলাসের বাইরে থাকা স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ছেলেরা হট্টগোল শুরু করে।’
ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, প্রথমে খাস কামরার দরজার কাঁচ ভাঙ্চুর করা হয়। পরে এজলাসের দরজার কাঁচও ভাঙা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।