ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে আহত এক মার্কিন পাইলটকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধার করে আনার ঘটনাটিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে যুদ্ধ বিস্তারের ঝুঁকির একটি সতর্কসংকেত হিসেবে দেখতে পারতেন। বিশেষ করে যখন তিনি ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর কথা ভাবছেন, সে মুহূর্তে এই ঘটনাটিকে তিনি সম্ভাব্য ঝুঁকির মাত্রা পরিমাপের একটা মাণদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে পারতেন।
পাইলটকে উদ্ধারের কাজ ঠিকঠাকভাবে না-ও হতে পারত। যদি ওই পাইলটের কাছে সিআইএ ও মার্কিন বিশেষ বাহিনীর লোকেরা পৌঁছানোর আগেই ইরানি বাহিনী খুঁজে পেত, তাহলে পরিস্থিতি সহজেই জিম্মি সংকটে রূপ নিতে পারত।
এই ধরনের পরিস্থিতি জিমি কার্টারের প্রেসিডেন্সির অবসান ঘটিয়েছিল এবং সে কথা ট্রাম্প নিজেও মাঝে মাঝে উল্লেখ করে থাকেন।
কিন্তু উদ্ধার অভিযানের পর ট্রাম্প যেন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন—অন্তত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তাঁর অশ্লীল ভাষায় ভরা বার্তা সেটাই ইঙ্গিত করে। ইরানের নেতারা তাঁর শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি না হওয়ায় তিনি খুব চটেছেন। তাঁকে খুব হতাশ বলেও মনে হচ্ছে।