আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন সৌদি আরবের জন্য স্পষ্ট বার্তা, তেমনি তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি উপসাগরীয় অঞ্চলে পুরোনো টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলেছে, ঐক্য নয়, বরং বিভাজনই যেন সামনে এনে দিচ্ছে।
দেখতে গেলে, ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তটি হঠাৎ কিছু নয়। বহুদিন ধরেই তেল উৎপাদন কতটা হবে—এই প্রশ্নে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে তেলের দাম ধরে রাখতে উৎপাদন সীমিত রাখতে চেয়েছে, অন্যদিকে আমিরাত বরাবরই বেশি উৎপাদনের পক্ষে ছিল। গ্লোবাল রিস্ক ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিশ্লেষক আর্নে লোহমান রাসমুসেনের কথায়, আমিরাত সব সময় ‘পরিমাণভিত্তিক কৌশল’-এর দিকে ঝুঁকেছে, আর সৌদিরা থেকেছে ‘দামভিত্তিক কৌশল’-এ।