নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালক হোসেন আহমেদ হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পার হলেও রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত সোমবার রাতে নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গণিপুর খাল থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত হোসেন আহমেদ নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খলিশালটা গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন আহমেদ বেগমগঞ্জের চৌমুহনী কলেজ রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ৩ মার্চ বিকালে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর গত সোমবার বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম সংলগ্ন গণিপুর খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটি বস্তার ভেতরে ছিল এবং নিহতের হাত-পা প্লাস্টিক দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ২ থেকে ৩ দিন আগে অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামছুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন রাতেই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/এমই