বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে আজীবন আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক সভা এবং দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হাসপাতালের উদ্যোগে খতমে কোরআন, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
আমীর খসরু বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে বেগম খালেদা জিয়া কোনোদিন আপোষ করেননি। নিজের জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাইতো মৃত্যুর পর এদেশের মানুষ তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এতো বিশাল জানাজা আর কখনো হয়েছে বলে আমাদের জানা নাই। এমনকি পৃথিবীর ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর একজন সাধারণ গৃহবধূ হয়েও বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ইতিহাস গড়েছেন। ১৯৯১ সালে জনগণের ভালোবাসায় তিনি প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়গুলোতেও গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেন।
হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর। আরও বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারি রেজাউল করিম আজাদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. মো. আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ।
বিডি প্রতিদিন/মুসা